বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ড্রয়ের পর আবেগঘন এক মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। তিনি জানান, ভিসা–সংক্রান্ত খরচের কারণে তার মা যুক্তরাষ্ট্রে এসে খেলা দেখতে পারেননি।

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ভোজিনহা বলেন, সময়মতো প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা না হওয়ায় তার মা যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারেননি। তিনি চেয়েছিলেন, তার মা মাঠে উপস্থিত থেকে এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হোন।
আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সিএনএনের প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ভোজিনহার মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার বিষয়ে তারা সহায়তার চেষ্টা করছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ভোজিনহার মায়ের নামে এখন পর্যন্ত কোনো ভিসা আবেদনের তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের নিকটাত্মীয়দের জন্য ভিসা জামানতের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। এ কারণে বিষয়টি সমাধানে খেলোয়াড়ের পরিবারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হচ্ছে।
সিএনএনের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ভোজিনহার মায়ের বর্তমানে বৈধ পাসপোর্ট নেই। তিনি নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।
বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী দেশের খেলোয়াড়, কোচ, সহায়ক কর্মী ও তাদের নিকটাত্মীয়রা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে ভিসা জামানত ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন।
৪০ বছর বয়সী ভোজিনহা বর্তমানে পর্তুগালের দ্বিতীয় স্তরের এক ক্লাবে খেলেন। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি সাতটি দুর্দান্ত গোল রক্ষা করে দলের জন্য ঐতিহাসিক ফল এনে দেন।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় সাফল্য অর্জন করে। মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের দেশটিতে এই সাফল্য নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ
মেসির গোলে উচ্ছ্বাসে ভাসলেন অভিনেত্রী কেয়া পায়েল
স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ভোজিনহার জনপ্রিয়তাও হঠাৎ বেড়ে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা কয়েক লাখ থেকে বেড়ে প্রায় এক কোটির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার (২১ জুন) উরুগুয়ের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: সিএনএন
Follow
Follow iNews Zoombangla On Google
Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

