
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে গ্রেপ্তার যুবককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যাক্তির নাম মিশাত শেখ (২২)। তিনি ওই গ্রামের ইসমাইল শেখের ছেলে।
পলাশ থানায় দায়ের এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মিশাত শেখ দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। বিষয়টি জানার পর স্কুলছাত্রীর মা মিশাতের পরিবারকে একাধিকবার সতর্ক করেন এবং উত্ত্যক্ত করতে নিষেধ করেন। এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বাড়ির পাশের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যায় তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় মিসাত শেখ ও তার সহযোগী মারুফ। পরে তারা একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে।
এদিকে, মেয়ে বাড়ি না ফেরায় রাত ৯টার দিকে তাকে খুঁজতে বের হন পরিবারের লোকেরা। একপর্যায়ে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির সামনে গিয়ে তারা মারুফকে ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। ঘরের ভেতর থেকে মেয়ের কান্নার আওয়াজ পেয়ে তারা ভেতরে ঢুকতে চাইলে মারুফ প্রথমে বাধা দেয়। তবে বাধা উপেক্ষা করে তারা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। বেগতিক দেখে মারুফ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ওই ছাত্রীর মায়ের চিৎকার ও চেঁচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘর থেকে মিশাত শেখকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং স্থানীয় পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১৫ মে) সকালে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে মিশাত শেখ ও মারুফের বিরুদ্ধে পলাশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পলাশ থানার ওসি (তদন্ত) কুতুব উল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই প্রধান আসামি মিশাত শেখকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামি মারুফকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে রোববার (১৭ মে) ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে।
Follow iNews Zoombangla On Google
Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

